দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু, দুস্তর পারাবার
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি-নিশীথে, যাত্রীরা হুশিয়ার!
দুলিতেছে তরি, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ,
ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ?
কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ।
এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম
কাজী নজরুল ইসলাম
বাংলাদেশের জাতীয় কবি

আপনিও লিখুন

কালের সোঁকোতে লেখা জমা দেওয়ার ঠিকানা Write to Kaler Sankoআপনার লেখাতেই সমৃদ্ধ হবে এই ওয়েবসাইটটি । এখানে গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নিবন্ধসহ নানা ধরনের মৌলিক সাহিত্য প্রকাশ করা হয়। তাই দেরি না করে আপনার মূল্যবান লেখাটি পাঠিয়ে দিন। যা আপনার সৃষ্টিকর্মকে আরও প্রসারিত করবে। আপনার পাঠানো লেখায় কোন ত্রুটি, রাজনৈতিক বা ধর্মীয় উসকানি পরিলক্ষিত হলে ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ এর জন্য দায় বহন করবে না। এখান থেকে  সরাসরি লেখা পাঠাতে বোতাপ চাপুন। 

ক্যাভা ….

নির্বাচিত
বিশ্বের কয়েকটি ভয়ংকর জিনিস ফাতেমাতুয যাহরা স্মৃতি

বিশ্বের কয়েকটি ভয়ংকর জিনিস

বিশ্বের কয়েকটি ভয়ংকর জিনিস ফাতেমাতুয যাহরা স্মৃতি   বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত ও হিংস্র প্রাণী হলো অস্ট্রেলিয়ান বক্স জেলিফিশ! কী এই বক্স জেলিফিশ? বক্স জেলিফিশ হলো সেই প্রাণী, যা সম্ভবত জেলিফিশের সকল প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর দেখতে। অসাধারণ তার রূপ, ঠিক যেন

বিস্তারিত »
ছড়া
ছড়া নিয়ে ছড়া

ছড়া নিয়ে ছড়া

ছড়া নিয়ে ছড়া   ছড়া মানে আমিনুল ইসলাম মামুন কাব্যের নূপুরটা পরা আছে ছড়ারই পায়। ঝুমঝুম ছন্দে মনের

শৈশবের দিনগুলো

শৈশবের দিনগুলো

শৈশবের দিনগুলো শফিকুল মুহাম্মদ ইসলাম শৈশবের দিনগুলো ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে কেটেছে ছেলেবেলা, খেলার ছলে পাঠশালাতে করেছি ঢের হেলা।

ভাইফোঁটা

ভাইফোঁটা

ভাইফোঁটা সুব্রত দাস ভাইফোঁটা উৎসব নীল আকাশে রোদ ঝিকমিক, ধানের শীষে হাওয়া, হিম জড়ানো দূরের মাঠে হারিয়ে কোথায়

শরৎ রূপ

শরৎ রূপ

শরৎ রূপ সুব্রত চৌধুরী যেদিক তাকাই রূপের আড়ং, বাজে খুশির বীণ, মন-ময়ূরী নেচে বেড়ায়, তাক ধিনা ধিন ধিন।

তুলনা-কথা জাহাঙ্গীর আলম জাহান

তুলনা-কথা

তুলনা-কথা জাহাঙ্গীর আলম জাহান কাউকে যখন সিংহপুরুষ, ডাকছো বাঘের বাচ্চা, খুশির চোটে নেচে নেচে সে বলে, ‘বেশ-আচ্ছা’। তাকেই

পোস্টার-১
সংগ্রহশালা

সিন্দুক

কবিতা

কাহা পরব কবিতার প্রতীকী চিত্র: সাঁওতাল গ্রাম, নৃত্য, ঢোল ও লোকজ আবহ

কাহা পরব

কাহা পরব মারুফ আহমেদ নয়ন দূরতম সাঁওতাল গ্রাম যেন এক

চন্দনকৃষ্ণ পালের দুপুর বাংলা কবিতা

দুপুর

দুপুর চন্দনকৃষ্ণ পাল ডোর বেলে কে আঙুল রাখে মাঝ দুপুরে

সময়ের এপিটাফ

সময়ের এপিটাফ

সময়ের এপিটাফ ফারহানা খান ভাঙা জানালার ফাঁক গলিয়ে সন্ধ্যার আলো

জোনাকিরা

জোনাকিরা আহসান হাবীব তারা- একটি দুটি তিনটি করে এলো তখন-

গল্প

বিখ্যাতদের লেখা

হাট্টিমাটিম টিম

হাট্টিমাটিম টিম রোকনুজ্জামান খান হাট্টিমাটিম টিম ছড়া টাট্টুকে আজ আনতে

আমাদের ছোট নদী

আমাদের ছোটো নদী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের ছোটো নদী চলে বাঁকে

পাখির মতো

পাখির মতো

পাখির মতো আল মাহমুদ আম্মা বলেন, পড়রে সোনা আব্বা বলেন,

সমানে সমান

সমানে সমান

সমানে সমান জসীম উদ্দিন সমানে সমান ছোট্ট একটা নদী, হাঁটিয়াই

গোপালের পড়া

গোপালের পড়া

গোপালের পড়া সুকুমার রায় দুপুরের খাওয়া শেষ হইতেই গোপাল অত্যন্ত ভালোমানুষের মতন মুখ করিয়া দু-একখানা পড়ার বই হাতে লইয়া তিনতলায় চলিল। মামা জিজ্ঞাসা করিলেন, কিরে গোপলা, এই দুপুর রোদে কোথায় যাচ্ছিস? গোপাল বলিল, তিনতলায় পড়তে যাচ্ছি। মামা: পড়বি তো তিনতলায় কেন? এখানে বসে পড় না। গোপাল: এখানে লোকজন যাওয়া-আসা করে, ভোলা গোলমাল করে, পড়বার সুবিধা হয় না। মামা: আচ্ছা, যা মন দিয়ে পড়গে। গোপাল চলিয়া গেল, মামাও মনে মনে একটু

Scroll to Top