শৈশবের দিনগুলো

শফিকুল মুহাম্মদ ইসলাম

ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে কেটেছে ছেলেবেলা,
খেলার ছলে পাঠশালাতে করেছি ঢের হেলা।
সঙ্গের সাথী নিয়ে রোজই দুষ্টুমিতে মেতে,
পুতুল খেলার ছল করেছি আনন্দটা পেতে।

কলাপাতার ছাউনি দিয়ে ঘর বানাতাম কত,
দু’চোখ জুড়ে স্বপ্ন তখন ছিল অবিরত!
মাটির হাঁড়ি-পাতিল দিয়ে করতো সাথী রান্না,
তার পুতুলের বিয়ে হবে কী— করেছে কান্না!

পুতুল বিয়ের ইতিকথা আজও মনে পড়ে,
বিষাদগীতি ভেসে উঠে মনটা কেমন করে।
নদ-নদীতে সাঁতার কাটি ডুবুরিরই মতো,
পিতামাতার বারণ ছিল নিত্য, ক্রমাগত।

বৃষ্টি এলে পাড়াগাঁয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে,
শ্রাবণধারা শরীর বেয়ে যেতো কত বয়ে।
বন-বাদাড়ে খোলামাঠে খুঁজতাম পাখির বাসা,
পেয়ে গেলে ছানা ধরে দিতাম ভালোবাসা।

সারাদিনের কর্ম সেরে ফিরতাম যখন বাড়ি,
মা-জননী রাগের বশে ধরতেন শত আড়ি।
সন্ধ্যা হলেই উঠোনজুড়ে বসতো পুঁথির আসর;
গল্পের ফাঁকে চাঁদটা দেখে হতো স্বপ্নের বাসর।

 

আরও পড়ুন

শেয়ার করুন:

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও লেখা:

Scroll to Top